০২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে পটিয়ায় সকল ব্যাংকিং কার্যক্রম অবরুদ্ধ, চলছে উত্তেজনা

বিনা নোটিশে চট্টগ্রামের পটিয়ার প্রায় ৭০০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকুরিচ্যুত করায় ব্যাংক অবরোধ করা হয়েছে। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে এ ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, সোনালি ব্যাংক, পুর্বালীসহ প্রায় ৪৫ ব্যাংকের শাখা- উপ শাখায় লেনদেন সম্পুর্ন বন্ধ রয়েছে। চাকুরি হারানো কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ আন্দোলনে যোগ দিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মচারী। সকাল থেকে পটিয়ায় ঘুরে ঘুরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিটি ব্যাংকের প্রধান ফটক বন্ধ করে অবরুদ্ধ করে রাখে। পটিয় থানার মোড়স্থ ন্যাশনাল ব্যাংকের শাখা চালু করার চেষ্টা করা হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পটিয়া সার্কেল) আরিফুল ইসলাম, পটিয়া থানার ওসি মো: নুরুজ্জামান ঘটনাস্থলে পৌছে আন্দোলনরতদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। ব্যাংকারদের একটাই দাবি চাকুরি ফিরিয়ে দিতে হবে। জানা গেছে, এস আলম গ্রুপের একাধিক ব্যাংক রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তন হলে এস আলম গ্রুপের ব্যাংকের প্রায় ৭০০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিনা নোটিশে চাকরিচ্যুত করা হয়। এর প্রতিবাদে রবিবার সকালে পটিয়ার সকল ব্যাংকের প্রধান ফটক বন্ধ করে অবরুদ্ধ করে রাখে। ফলে সকাল থেকেই সকল ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ থাকে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। চলছে উত্তেজনা ব্যাংকারদের সঙ্গে আন্দোলনে রয়েছেন ইসলামী ফন্টের পটিয়ার সভাপতি ও পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু, গণঅধিকার পরিষদের চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি ডা: এমদাদুল হক, কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক মফিজুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা হাবিবুর রহমান রিপনসহ বিভিন্ন দলের নেকাকর্মী। চাকুরি পুনঃবহাল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন এবং আজ বিকেল ৪টা পর্যন্ত পটিয়ার সকল ব্যাংক লেনদেন বন্ধ রাখার ঘোষনা দেন।

চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে পটিয়ায় সকল ব্যাংকিং কার্যক্রম অবরুদ্ধ, চলছে উত্তেজনা

সময় : ১০:১৮:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

বিনা নোটিশে চট্টগ্রামের পটিয়ার প্রায় ৭০০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকুরিচ্যুত করায় ব্যাংক অবরোধ করা হয়েছে। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে এ ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, সোনালি ব্যাংক, পুর্বালীসহ প্রায় ৪৫ ব্যাংকের শাখা- উপ শাখায় লেনদেন সম্পুর্ন বন্ধ রয়েছে। চাকুরি হারানো কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ আন্দোলনে যোগ দিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মচারী। সকাল থেকে পটিয়ায় ঘুরে ঘুরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিটি ব্যাংকের প্রধান ফটক বন্ধ করে অবরুদ্ধ করে রাখে। পটিয় থানার মোড়স্থ ন্যাশনাল ব্যাংকের শাখা চালু করার চেষ্টা করা হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পটিয়া সার্কেল) আরিফুল ইসলাম, পটিয়া থানার ওসি মো: নুরুজ্জামান ঘটনাস্থলে পৌছে আন্দোলনরতদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। ব্যাংকারদের একটাই দাবি চাকুরি ফিরিয়ে দিতে হবে। জানা গেছে, এস আলম গ্রুপের একাধিক ব্যাংক রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তন হলে এস আলম গ্রুপের ব্যাংকের প্রায় ৭০০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিনা নোটিশে চাকরিচ্যুত করা হয়। এর প্রতিবাদে রবিবার সকালে পটিয়ার সকল ব্যাংকের প্রধান ফটক বন্ধ করে অবরুদ্ধ করে রাখে। ফলে সকাল থেকেই সকল ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ থাকে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। চলছে উত্তেজনা ব্যাংকারদের সঙ্গে আন্দোলনে রয়েছেন ইসলামী ফন্টের পটিয়ার সভাপতি ও পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু, গণঅধিকার পরিষদের চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি ডা: এমদাদুল হক, কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক মফিজুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা হাবিবুর রহমান রিপনসহ বিভিন্ন দলের নেকাকর্মী। চাকুরি পুনঃবহাল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন এবং আজ বিকেল ৪টা পর্যন্ত পটিয়ার সকল ব্যাংক লেনদেন বন্ধ রাখার ঘোষনা দেন।