০৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন রুপ দিতে হবে – মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নগরীর জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে পূর্ণাঙ্গ জাদুঘর হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বাজেট দ্বিগুণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। আজ রোববার (১৮ মে) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান। উপদেষ্টা বলেন, “জিয়া স্মৃতি জাদুঘর ১৬ বছর ধরে বন্ধ ছিল। দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা এ জাদুঘরের বাজেট দ্বিগুণ করেছি। যেহেতু এটি জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, তাই এখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পুরো জীবনের স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে।” দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা ফারুকী। তিনি বলেন, “দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকে ঘিরে একটি সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডার তৈরি করছে মন্ত্রণালয়, যাতে সারা বছরব্যাপী এসব কর্মকাণ্ড নিয়মিতভাবে আয়োজন করা যায়।” চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলা ও নৌকা বাইচ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জব্বারের বলীখেলা শতবর্ষী আয়োজন। এটি চট্টগ্রামের সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। আগামী বছর থেকে এই আয়োজনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় যুক্ত থাকবে। বলীখেলা ও নৌকা বাইচকে সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।” এ সময় উপদেষ্টা পহেলা বৈশাখে নৌকা বাইচ আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট কমিটিকে আহ্বান জানান। প্রেস কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন রুপ দিতে হবে – মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী

সময় : ১২:২৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নগরীর জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে পূর্ণাঙ্গ জাদুঘর হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বাজেট দ্বিগুণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। আজ রোববার (১৮ মে) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান। উপদেষ্টা বলেন, “জিয়া স্মৃতি জাদুঘর ১৬ বছর ধরে বন্ধ ছিল। দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা এ জাদুঘরের বাজেট দ্বিগুণ করেছি। যেহেতু এটি জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, তাই এখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পুরো জীবনের স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে।” দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা ফারুকী। তিনি বলেন, “দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকে ঘিরে একটি সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডার তৈরি করছে মন্ত্রণালয়, যাতে সারা বছরব্যাপী এসব কর্মকাণ্ড নিয়মিতভাবে আয়োজন করা যায়।” চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলা ও নৌকা বাইচ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জব্বারের বলীখেলা শতবর্ষী আয়োজন। এটি চট্টগ্রামের সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। আগামী বছর থেকে এই আয়োজনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় যুক্ত থাকবে। বলীখেলা ও নৌকা বাইচকে সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।” এ সময় উপদেষ্টা পহেলা বৈশাখে নৌকা বাইচ আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট কমিটিকে আহ্বান জানান। প্রেস কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।