০১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তৈয়ব চৌধুরী লিটন চট্টগ্রামঃ জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পসৃষ্ট চরম বিপর্যয় থেকে চট্টগ্রামের নদী-সমুদ্র-প্রাণি সুরক্ষিত করতে হবে ডা. মাহফুজুর রহমান অনুমোদনহীন যত্রতত্র জাহাজ ভাঙ্গার কারণে নদী-সাগরের পানি চরমভাবে দূষিত হচ্ছে- প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পসৃষ্ট চরম বিপর্যয়ের কারণে চট্টগ্রামের নদী-সমুদ্রের পানি দূষণের কারণে বহুজাতিক মাছ, প্রাণি সম্পদ ও মানুষ বিভিন্ন কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পসৃষ্ট চরম বিপর্যয় থেকে চট্টগ্রামের নদী-সমুদ্র-প্রাণি সুরক্ষিত করার দাবীতে বাংলাদেশ পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন বাপসা’র উদ্যোগে আজ ২০ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটের সময় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে বাপসা’র সভাপতি এম.এ হাশেম রাজুর সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন সালাম মিঠুর পরিচালনায় প্রতিবাদী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পরিবেশবাদী বীরমুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী, প্রফেসর ড. আতিকুর রহমান, বাপসা’র প্রধান সমন্বয়ক উত্তম কুমার আচার্য্য, নির্বাহী সহ-সভাপতি বিপ্লব পার্থ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গোলাম সরোয়ার খান, সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক সোনিয়া আফরোজ খান, কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক সাংবাদিক জাহেদ তালুকদার, চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মদ জানে আলম, সহ-সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, ওসমান সরোয়ার খান, কক্সবাজার জেলার সমন্বয়ক সেলিম কায়সার প্রমুখ। প্রতিবাদী সমাবেশে বক্তারা বলেন, জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পসৃষ্ট চরম বিপর্যয় থেকে চট্টগ্রামের নদী-সমুদ্র-প্রাণি সুরক্ষিত করতে হবে। জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প থেকে পরিবেশ বাঁচাতে দ্রুতমত সময়ের মধ্যে সরকারকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প থেকে পরিবেশ ও চট্টগ্রামের সমুদ্র-প্রাণি বাঁচাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। জাহাজ ভাঙ্গাসৃষ্ট পরিবেশ বিপর্যয়ের প্রতিবাদে আয়োজিত সামবেশে এই আহ্বান জানানো হয়। এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অন্তবর্তীকালীণ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দ রিজোয়ানা হকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। বক্তারা আরো বলেন, অনুমোদনহীন যত্রতত্র জাহাজ ভাঙ্গার কারণে নদী-সাগরের পানি চরমভাবে দূষিত হচ্ছে। জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পের মাধ্যমে মিরসরাই ও সীতাকুণ্ডের পরিবেশ আজ চরমভাবে বিপর্যস্থ। সীতাকুণ্ডে সমুদ্র উপকূলের ১০ কিলোমিটারের বেশি এলাকায় চলছে নির্বিচারে বালু উত্তোলন, সাগরের মধ্যে ড্রেজার বসিয়ে এই বালু তোল হচ্ছে। জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পে আন্তর্জাতিক আইন থাকলেও সেটি কেউ আমলে নিচ্ছে না। ফলে টন টন দূষিত রাসায়নিক দ্রব্য পানিতে মিশে যাচ্ছে। যা পরিবেশ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং মানব স্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর। প্রত্যেক বছর ২০০-৩০০ জন শ্রমিক অকালে মৃত্যুবরণ করে। সীতাকুণ্ডের কয়েকটি এলাকায় ক্যান্সারের উপদ্রব বেড়েছে। আমরা শিল্পের বিরুদ্ধে নয়। তবে পরিবেশকে বাঁচিয়ে আমরা শিল্পকে সম্প্রসারণ করতে চাই। জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পকে কিভাবে পরিবেশবান্ধব এবং আইনের ভিতর রাখা যায় সেটা বের করতে হবে। না হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশের ক্ষতি হবে।

সময় : ০৯:৩২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

তৈয়ব চৌধুরী লিটন চট্টগ্রামঃ জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পসৃষ্ট চরম বিপর্যয় থেকে চট্টগ্রামের নদী-সমুদ্র-প্রাণি সুরক্ষিত করতে হবে ডা. মাহফুজুর রহমান অনুমোদনহীন যত্রতত্র জাহাজ ভাঙ্গার কারণে নদী-সাগরের পানি চরমভাবে দূষিত হচ্ছে- প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পসৃষ্ট চরম বিপর্যয়ের কারণে চট্টগ্রামের নদী-সমুদ্রের পানি দূষণের কারণে বহুজাতিক মাছ, প্রাণি সম্পদ ও মানুষ বিভিন্ন কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পসৃষ্ট চরম বিপর্যয় থেকে চট্টগ্রামের নদী-সমুদ্র-প্রাণি সুরক্ষিত করার দাবীতে বাংলাদেশ পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন বাপসা’র উদ্যোগে আজ ২০ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটের সময় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে বাপসা’র সভাপতি এম.এ হাশেম রাজুর সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন সালাম মিঠুর পরিচালনায় প্রতিবাদী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পরিবেশবাদী বীরমুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী, প্রফেসর ড. আতিকুর রহমান, বাপসা’র প্রধান সমন্বয়ক উত্তম কুমার আচার্য্য, নির্বাহী সহ-সভাপতি বিপ্লব পার্থ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গোলাম সরোয়ার খান, সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক সোনিয়া আফরোজ খান, কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক সাংবাদিক জাহেদ তালুকদার, চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মদ জানে আলম, সহ-সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, ওসমান সরোয়ার খান, কক্সবাজার জেলার সমন্বয়ক সেলিম কায়সার প্রমুখ। প্রতিবাদী সমাবেশে বক্তারা বলেন, জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পসৃষ্ট চরম বিপর্যয় থেকে চট্টগ্রামের নদী-সমুদ্র-প্রাণি সুরক্ষিত করতে হবে। জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প থেকে পরিবেশ বাঁচাতে দ্রুতমত সময়ের মধ্যে সরকারকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প থেকে পরিবেশ ও চট্টগ্রামের সমুদ্র-প্রাণি বাঁচাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। জাহাজ ভাঙ্গাসৃষ্ট পরিবেশ বিপর্যয়ের প্রতিবাদে আয়োজিত সামবেশে এই আহ্বান জানানো হয়। এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অন্তবর্তীকালীণ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দ রিজোয়ানা হকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। বক্তারা আরো বলেন, অনুমোদনহীন যত্রতত্র জাহাজ ভাঙ্গার কারণে নদী-সাগরের পানি চরমভাবে দূষিত হচ্ছে। জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পের মাধ্যমে মিরসরাই ও সীতাকুণ্ডের পরিবেশ আজ চরমভাবে বিপর্যস্থ। সীতাকুণ্ডে সমুদ্র উপকূলের ১০ কিলোমিটারের বেশি এলাকায় চলছে নির্বিচারে বালু উত্তোলন, সাগরের মধ্যে ড্রেজার বসিয়ে এই বালু তোল হচ্ছে। জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পে আন্তর্জাতিক আইন থাকলেও সেটি কেউ আমলে নিচ্ছে না। ফলে টন টন দূষিত রাসায়নিক দ্রব্য পানিতে মিশে যাচ্ছে। যা পরিবেশ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং মানব স্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর। প্রত্যেক বছর ২০০-৩০০ জন শ্রমিক অকালে মৃত্যুবরণ করে। সীতাকুণ্ডের কয়েকটি এলাকায় ক্যান্সারের উপদ্রব বেড়েছে। আমরা শিল্পের বিরুদ্ধে নয়। তবে পরিবেশকে বাঁচিয়ে আমরা শিল্পকে সম্প্রসারণ করতে চাই। জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পকে কিভাবে পরিবেশবান্ধব এবং আইনের ভিতর রাখা যায় সেটা বের করতে হবে। না হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশের ক্ষতি হবে।