১২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণপূর্তে টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার অনিয়মের অনুসন্ধান

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"source_ids":{},"source_ids_track":{},"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"square_fit":1,"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে টেন্ডার বাণিজ্য, বিধি বহির্ভূত দরপত্র অনুমোদন এবং বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রভাব খাটিয়ে ঠিকাদারি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন এবং কোটি কোটি টাকার অবৈধ সুবিধা নিয়েছেন বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর।

সূত্র জানায়, সাবেক সরকারের সময় তিনি ক্ষমতাসীন মহলের আস্থাভাজন কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেই প্রভাব ব্যবহার করে তিনি একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ “ওয়াকিং পোস্টিং” বাগিয়ে নেন এবং বিভিন্ন স্থানে ঠিকাদার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করেন।

জানা যায়, চাকরি জীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় খুলনা ও ঝিনাইদহ এলাকার কিছু ঠিকাদারকে নিয়ে গিয়ে বেনামে ঠিকাদারি পরিচালনার মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। “সেলিম” নামে এক ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের মাধ্যমে তিনি “গ্যালাক্সী অ্যাসোসিয়েটস” নামে একটি প্রতিষ্ঠানের আড়ালে নিজেই ঠিকাদারি কার্যক্রম পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া চট্টগ্রামের “ডেল্টা কনস্ট্রাকশন” ও “ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স” নামের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও তার অংশীদারিত্বমূলক সম্পর্ক ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

পরবর্তীতে তিনি রাঙামাটি সার্কেলে পোস্টিং নেন এবং কিছুদিন পর চট্টগ্রাম সার্কেল-১ এ দায়িত্ব পান। এরপর প্রভাব খাটিয়ে গণপূর্ত রক্ষণাবেক্ষণ সার্কেলে বদলি নেন। সেখানে দায়িত্ব পালনকালে মন্ত্রণালয়ের এপিপি নীতিমালা অমান্য করে রাজস্ব বাজেটের অধিকাংশ কাজ উন্মুক্ত দরপত্র (OTM) পদ্ধতিতে অনুমোদন দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে পিপিআর-২০০৮ এর একাধিক ধারা লঙ্ঘিত হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
এছাড়া বিধি বহির্ভূতভাবে বকেয়া দরপত্র আহ্বানের অনুমোদন দিয়ে আর্থিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে তিনি নিজের অবস্থান শক্ত করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

পরে ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-৩ এ দায়িত্ব পালনকালে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে নিজের প্রভাববলয় আরও বিস্তৃত করেন এবং ঠিকাদারি কাজ বণ্টনের মাধ্যমে শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। একই সঙ্গে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ঢাকা গণপূর্তের বিভিন্ন বিভাগে এপিপির আওতাধীন অনেক কাজ এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বানের অনুমোদন দেওয়া হয়। এসব কাজ অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রায় ৫ শতাংশ কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

২০২৪–২৫ অর্থবছরে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ–১ এ এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে অনুমোদিত কিছু দরপত্র আইডি হলো:
Id.no.1102004, Id.no.1091460, Id.no.1091461, Id.no.1091462, Id.no.1091815, Id.no.1091816, Id.no.1091817, Id.no.1091818, Id.no.1091819, Id.no.1089451, Id.no.1089452, Id.no.1089453, Id.no.1089456, Id.no.1089457, Id.no.1089460, Id.no.1089463, Id.no.1089464, 1109140, 1112907, 1112908, 1112909, 1112910, 1116603, 1116615, 1116829, 1116866, 1116872, 1112904, 1112906, 1112912, 1114051, 1109145, 1112544, 1109138, 1109144।

ঢাকা নগর গণপূর্ত বিভাগে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে অনুমোদিত কিছু দরপত্র আইডি হলো:
Id.no.1062648, Id.no.1062651, Id.no.1062652, Id.no.1062649, Id.no.1062654, Id.no.1062653, Id.no.1056143, Id.no.1056144, Id.no.1060358, Id.no.1062671, Id.no.1062647, Id.no.1062396, Id.no.1056147, Id.no.1062385, Id.no.1069899, Id.no.1071271, Id.no.1071766, Id.no.1069900, Id.no.1069901, Id.no.1068865, Id.no.1070729, Id.no.1071778, Id.no.1071779, Id.no.1071780, Id.no.1069462, Id.no.1068870, Id.no.1056141, Id.no.1068864, Id.no.1068901, Id.no.1057944, Id.no.1057946, Id.no.1068860, Id.no.1068896, Id.no.1069173, Id.no.1062672, Id.no.1068863, Id.no.1068859, Id.no.1068851, Id.no.1057813।
এছাড়া ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ–২ এর আরও বেশ কিছু দরপত্র আইডি রয়েছে, যা প্রতিবেদকের নিকট সংরক্ষিত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব কাজ অনুমোদনের বিনিময়ে প্রায় ৫ শতাংশ কমিশন নেওয়া হয়েছে।

এদিকে সম্পদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মনিরুল ইসলামের নামে ও বেনামে বিপুল সম্পদের অভিযোগ রয়েছে। রাজধানী ঢাকায় তার একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে। মোহাম্মদপুরে প্রায় দশ কাঠা জমির ওপর একটি আটতলা ভবনের মালিকানার অভিযোগ রয়েছে। খুলনা শহরে একটি বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করছেন বলেও জানা গেছে। এছাড়া খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আবু নাসের হাসপাতাল বাইপাস সড়কের পাশে প্রায় পাঁচ একর জমি ক্রয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।

এছাড়া কক্সবাজারে একটি পাঁচ তারকা মানের হোটেলে তার অংশীদারিত্ব রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। খুলনার সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকাতেও তার একাধিক ফ্ল্যাট থাকার অভিযোগ রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, গণপূর্ত অধিদপ্তরে টেন্ডার অনিয়ম ও দুর্নীতির এসব অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করা জরুরি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

গণপূর্তে টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার অনিয়মের অনুসন্ধান

সময় : ০৬:৪৬:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে টেন্ডার বাণিজ্য, বিধি বহির্ভূত দরপত্র অনুমোদন এবং বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রভাব খাটিয়ে ঠিকাদারি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন এবং কোটি কোটি টাকার অবৈধ সুবিধা নিয়েছেন বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর।

সূত্র জানায়, সাবেক সরকারের সময় তিনি ক্ষমতাসীন মহলের আস্থাভাজন কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেই প্রভাব ব্যবহার করে তিনি একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ “ওয়াকিং পোস্টিং” বাগিয়ে নেন এবং বিভিন্ন স্থানে ঠিকাদার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করেন।

জানা যায়, চাকরি জীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় খুলনা ও ঝিনাইদহ এলাকার কিছু ঠিকাদারকে নিয়ে গিয়ে বেনামে ঠিকাদারি পরিচালনার মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। “সেলিম” নামে এক ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের মাধ্যমে তিনি “গ্যালাক্সী অ্যাসোসিয়েটস” নামে একটি প্রতিষ্ঠানের আড়ালে নিজেই ঠিকাদারি কার্যক্রম পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া চট্টগ্রামের “ডেল্টা কনস্ট্রাকশন” ও “ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স” নামের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও তার অংশীদারিত্বমূলক সম্পর্ক ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

পরবর্তীতে তিনি রাঙামাটি সার্কেলে পোস্টিং নেন এবং কিছুদিন পর চট্টগ্রাম সার্কেল-১ এ দায়িত্ব পান। এরপর প্রভাব খাটিয়ে গণপূর্ত রক্ষণাবেক্ষণ সার্কেলে বদলি নেন। সেখানে দায়িত্ব পালনকালে মন্ত্রণালয়ের এপিপি নীতিমালা অমান্য করে রাজস্ব বাজেটের অধিকাংশ কাজ উন্মুক্ত দরপত্র (OTM) পদ্ধতিতে অনুমোদন দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে পিপিআর-২০০৮ এর একাধিক ধারা লঙ্ঘিত হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
এছাড়া বিধি বহির্ভূতভাবে বকেয়া দরপত্র আহ্বানের অনুমোদন দিয়ে আর্থিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে তিনি নিজের অবস্থান শক্ত করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

পরে ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-৩ এ দায়িত্ব পালনকালে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে নিজের প্রভাববলয় আরও বিস্তৃত করেন এবং ঠিকাদারি কাজ বণ্টনের মাধ্যমে শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। একই সঙ্গে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ঢাকা গণপূর্তের বিভিন্ন বিভাগে এপিপির আওতাধীন অনেক কাজ এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বানের অনুমোদন দেওয়া হয়। এসব কাজ অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রায় ৫ শতাংশ কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

২০২৪–২৫ অর্থবছরে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ–১ এ এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে অনুমোদিত কিছু দরপত্র আইডি হলো:
Id.no.1102004, Id.no.1091460, Id.no.1091461, Id.no.1091462, Id.no.1091815, Id.no.1091816, Id.no.1091817, Id.no.1091818, Id.no.1091819, Id.no.1089451, Id.no.1089452, Id.no.1089453, Id.no.1089456, Id.no.1089457, Id.no.1089460, Id.no.1089463, Id.no.1089464, 1109140, 1112907, 1112908, 1112909, 1112910, 1116603, 1116615, 1116829, 1116866, 1116872, 1112904, 1112906, 1112912, 1114051, 1109145, 1112544, 1109138, 1109144।

ঢাকা নগর গণপূর্ত বিভাগে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে অনুমোদিত কিছু দরপত্র আইডি হলো:
Id.no.1062648, Id.no.1062651, Id.no.1062652, Id.no.1062649, Id.no.1062654, Id.no.1062653, Id.no.1056143, Id.no.1056144, Id.no.1060358, Id.no.1062671, Id.no.1062647, Id.no.1062396, Id.no.1056147, Id.no.1062385, Id.no.1069899, Id.no.1071271, Id.no.1071766, Id.no.1069900, Id.no.1069901, Id.no.1068865, Id.no.1070729, Id.no.1071778, Id.no.1071779, Id.no.1071780, Id.no.1069462, Id.no.1068870, Id.no.1056141, Id.no.1068864, Id.no.1068901, Id.no.1057944, Id.no.1057946, Id.no.1068860, Id.no.1068896, Id.no.1069173, Id.no.1062672, Id.no.1068863, Id.no.1068859, Id.no.1068851, Id.no.1057813।
এছাড়া ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ–২ এর আরও বেশ কিছু দরপত্র আইডি রয়েছে, যা প্রতিবেদকের নিকট সংরক্ষিত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব কাজ অনুমোদনের বিনিময়ে প্রায় ৫ শতাংশ কমিশন নেওয়া হয়েছে।

এদিকে সম্পদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মনিরুল ইসলামের নামে ও বেনামে বিপুল সম্পদের অভিযোগ রয়েছে। রাজধানী ঢাকায় তার একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে। মোহাম্মদপুরে প্রায় দশ কাঠা জমির ওপর একটি আটতলা ভবনের মালিকানার অভিযোগ রয়েছে। খুলনা শহরে একটি বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করছেন বলেও জানা গেছে। এছাড়া খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আবু নাসের হাসপাতাল বাইপাস সড়কের পাশে প্রায় পাঁচ একর জমি ক্রয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।

এছাড়া কক্সবাজারে একটি পাঁচ তারকা মানের হোটেলে তার অংশীদারিত্ব রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। খুলনার সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকাতেও তার একাধিক ফ্ল্যাট থাকার অভিযোগ রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, গণপূর্ত অধিদপ্তরে টেন্ডার অনিয়ম ও দুর্নীতির এসব অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করা জরুরি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।