০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“দুর্নীতির মহারাজা রুবেল দর্জির ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ, এনবিআরে কেলেঙ্কারি প্রকাশ”

অনুসন্ধানী প্রতিবেদকঃ কর ফাঁকির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দুই কর পরিদর্শকের ব্যাংক হিসাব ও এফডিআর (মেয়াদি আমানত) হিসাব ফ্রিজ করেছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (আইটিআইইউ)। এদের মধ্যে রয়েছেন কর অঞ্চল ১২-এর মোহাম্মদ রুবেল দর্জি এবং কর অঞ্চল ৫-এর সাইদুর রহমান। আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, রুবেল দর্জির স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস এবং তার বাবা জামাল উদ্দিন দর্জি-এর ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। এদের নামে রয়েছে ব্যক্তিগত গাড়ি এবং গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ৪.৫ একর জমি। এছাড়া, রুবেল দর্জির নামে রয়েছে বেনামে ফ্ল্যাট এবং কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ। অন্যদিকে, সাইদুর রহমানের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসী-এর ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট জানায়, কর অঞ্চল ৫-এ সাইদুর রহমান নানা অনিয়মে জড়িত ছিলেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, রুবেল দর্জি বর্তমানে নোয়াখালীতে কর্মরত। সেখানে তিনি দুর্নীতির সুযোগ কাজে লাগাতে সিন্ডিকেট তৈরি করে চলেছেন। খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করতে এবং সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি অর্থ ব্যবহার করেন। তবে সত্যিকার অর্থে রুবেল দর্জিই এনবিআরের দুর্নীতির মূল চিত্র এবং তার বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের কর্মকর্তা জানান, “এই পদক্ষেপ সরকারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়ার অংশ।” সম্প্রতি উভয় কর পরিদর্শক বদলি হলেও তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনাটি দেশে কর প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দিকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করে। আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের পদক্ষেপ আশা জাগাচ্ছে যে, ভবিষ্যতে সরকারি কর্মকর্তা এবং করদাতাদের মধ্যে দুর্নীতি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ বিষয়ে রুবেল দর্জির সাথে কথা বলতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

“দুর্নীতির মহারাজা রুবেল দর্জির ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ, এনবিআরে কেলেঙ্কারি প্রকাশ”

সময় : ০৯:১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

অনুসন্ধানী প্রতিবেদকঃ কর ফাঁকির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দুই কর পরিদর্শকের ব্যাংক হিসাব ও এফডিআর (মেয়াদি আমানত) হিসাব ফ্রিজ করেছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (আইটিআইইউ)। এদের মধ্যে রয়েছেন কর অঞ্চল ১২-এর মোহাম্মদ রুবেল দর্জি এবং কর অঞ্চল ৫-এর সাইদুর রহমান। আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, রুবেল দর্জির স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস এবং তার বাবা জামাল উদ্দিন দর্জি-এর ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। এদের নামে রয়েছে ব্যক্তিগত গাড়ি এবং গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ৪.৫ একর জমি। এছাড়া, রুবেল দর্জির নামে রয়েছে বেনামে ফ্ল্যাট এবং কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ। অন্যদিকে, সাইদুর রহমানের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসী-এর ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট জানায়, কর অঞ্চল ৫-এ সাইদুর রহমান নানা অনিয়মে জড়িত ছিলেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, রুবেল দর্জি বর্তমানে নোয়াখালীতে কর্মরত। সেখানে তিনি দুর্নীতির সুযোগ কাজে লাগাতে সিন্ডিকেট তৈরি করে চলেছেন। খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করতে এবং সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি অর্থ ব্যবহার করেন। তবে সত্যিকার অর্থে রুবেল দর্জিই এনবিআরের দুর্নীতির মূল চিত্র এবং তার বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের কর্মকর্তা জানান, “এই পদক্ষেপ সরকারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়ার অংশ।” সম্প্রতি উভয় কর পরিদর্শক বদলি হলেও তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনাটি দেশে কর প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দিকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করে। আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের পদক্ষেপ আশা জাগাচ্ছে যে, ভবিষ্যতে সরকারি কর্মকর্তা এবং করদাতাদের মধ্যে দুর্নীতি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ বিষয়ে রুবেল দর্জির সাথে কথা বলতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।