০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দমন–পীড়নের দেয়াল ভেঙে রাজপথে অবিচল ১৭ বছরের মামলা–হামলা পেরিয়েও বিএনপির বিজয়ে অটল শপথ মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামের

দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের মধ্য দিয়েও রাজপথ ছাড়েননি চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ কর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা দমন-পীড়নের ভয় উপেক্ষা করে আজও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সম্মুখ সারিতে রয়েছেন।
রাজপথে অবিচল থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, “আমরা রাজপথেই জন্মেছি, রাজপথেই বড় হয়েছি। মামলা-হামলা আমাদের থামাতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। যত নির্যাতনই আসুক, ইনশাল্লাহ আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করেই ঘরে ফিরব।” তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের এই আন্দোলনে ত্যাগই হচ্ছে সবচেয়ে বড় শক্তি। রাজপথের সংগ্রামের মাধ্যমেই জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। সাধারণ গৃহিণী থেকে আপসহীন দেশনেত্রী
বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্রের এক অবিনাশী নাম। একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে দেশের রাজনীতির অভিভাবকে পরিণত হওয়ার ইতিহাস তাঁকে করেছে অনন্য ও স্মরণীয়। আপসহীন নেতৃত্ব, সাহসী সিদ্ধান্ত এবং জনগণের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান তাঁকে দেশনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে কখনো আপস না করা এই নেত্রী যুগে যুগে এ দেশের মানুষের অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে থাকবেন বলে মনে করেন নেতাকর্মীরা। মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “বেগম জিয়া কোনো ব্যক্তির নাম নয়, তিনি একটি আদর্শ। তিনি এই দেশের মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। তাঁর দেখানো পথেই আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।” আন্দোলনই মুক্তির পথ দলীয় নেতাকর্মীদের অভিমত, তৃণমূল থেকে শুরু হওয়া এই আপসহীন আন্দোলনই একদিন দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে এবং জনগণের ভোটে বিএনপি পুনরায় রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরে আসবে।

দমন–পীড়নের দেয়াল ভেঙে রাজপথে অবিচল ১৭ বছরের মামলা–হামলা পেরিয়েও বিএনপির বিজয়ে অটল শপথ মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামের

সময় : ০৮:০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের মধ্য দিয়েও রাজপথ ছাড়েননি চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ কর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা দমন-পীড়নের ভয় উপেক্ষা করে আজও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সম্মুখ সারিতে রয়েছেন।
রাজপথে অবিচল থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, “আমরা রাজপথেই জন্মেছি, রাজপথেই বড় হয়েছি। মামলা-হামলা আমাদের থামাতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। যত নির্যাতনই আসুক, ইনশাল্লাহ আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করেই ঘরে ফিরব।” তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের এই আন্দোলনে ত্যাগই হচ্ছে সবচেয়ে বড় শক্তি। রাজপথের সংগ্রামের মাধ্যমেই জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। সাধারণ গৃহিণী থেকে আপসহীন দেশনেত্রী
বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্রের এক অবিনাশী নাম। একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে দেশের রাজনীতির অভিভাবকে পরিণত হওয়ার ইতিহাস তাঁকে করেছে অনন্য ও স্মরণীয়। আপসহীন নেতৃত্ব, সাহসী সিদ্ধান্ত এবং জনগণের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান তাঁকে দেশনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে কখনো আপস না করা এই নেত্রী যুগে যুগে এ দেশের মানুষের অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে থাকবেন বলে মনে করেন নেতাকর্মীরা। মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “বেগম জিয়া কোনো ব্যক্তির নাম নয়, তিনি একটি আদর্শ। তিনি এই দেশের মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। তাঁর দেখানো পথেই আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।” আন্দোলনই মুক্তির পথ দলীয় নেতাকর্মীদের অভিমত, তৃণমূল থেকে শুরু হওয়া এই আপসহীন আন্দোলনই একদিন দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে এবং জনগণের ভোটে বিএনপি পুনরায় রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরে আসবে।