
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তোতা মিয়া ছিলেন নারায়ন গঞ্জ টানবাজার এলাকার সুতা ব্যবসায়ীদের দিন মজুর। এখন সে বড় ব্যবসায়ী। কিভাবে? জানা যায় ফ্যাসিষ্ট আমলে নারায়নগঞ্জের সন্ত্রাসীদের গডফাদার শামিম ওসমানের ছত্র ছায়ায় থেকে বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে হয়ে ওঠেন বড় সুতা ব্যবসায়ী। কিন্তু তার ব্যবসার কোন প্রকার বৈধ কোন কাগজ পত্র নেই। কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চলছে তার রমরমা সুতার ব্যবসা। প্রশাসন সহ সবাই নিশ্চুপ-কেন- অনুসন্ধানে নামে- দৈনিক এই সময় পত্রিকার অনুসন্ধান কারী দল- অন্ধকারে দেখি- তার পর বেরিয়ে আসে আসল ঘটনা। অনেকটা কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসার মতো ঘটনা। তোতা মিয়ার বিশেষ সহযোগী হলেন টানবাজার ইয়ার্ন সমিতির সেক্রেটারি বশির হোসেন। তিনি বিভিন্ন সময় তোতা মিয়ার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করেন টাকার মাধ্যমে। গোপন সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি সব নিয়ন্ত্রণ করে তোতা মিয়ার বড় ছেলে মামুন মিয়া। মামুন মিয়া বিভিন্ন সময় অপকর্মের কারণে কারাবরণ করেন এবং একাধিক মামলা চলমান রয়েছে, একই মার্কেটের জনৈক এক দোকানদার জানান- “দিনের বেলায় ছিনতাই হয় প্রায় প্রতিনিয়ত। থানার দূরত্ব ৫ থেকে ৭ মিনিটের রাস্তা হলেও আমরা পুলিশ দেখতে পাই না।” সূত্রে আরো জানা যায় তোতা মিয়ার সাথে শামিম ওসমানের নিয়মিত যোগাযোগ আছে এবং বর্তমানে ফ্যাসিবাদদের ডোনার এই তোতা মিয়া। অনুসন্ধান কারী দল অনুসন্ধানে গেলে তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে আর্থিক প্রলোভন দেখানো হয়। এতে কাজ না হওয়ায়, দেখানো হয় ভয় ভীতি। বলা হয়– সাগর রুনিও সাংবাদিক ছিলেন তাদের হত্যার বিচার কি হয়েছে?— আমি ব্যবসায়ী- আপনাদের চাইতে বড় বড় সাংবাদিক এবং প্রশাসনের বড় বড় কর্মকর্তা আমার পকেটে থাকে। ততো আমি আর বড় ছেলে মামুন মিয়া বলেন,।
জেল খাতা আমাদের অভ্যাস কোনটা কিভাবে ম্যানেজ করতে হয় সেটা আমি ভালো জানি তার সহকারি বশির আহমেদ সাংবাদিকদের বিভিন্নভাবে তালবাহানা করে গোডাউন থেকে মাল সরিয়ে ফেলে। ভয়ংকর তথ্য দ্বিতীয় পর্বে প্রকাশ করা হবে।
অনুসন্ধান চলছে-
নিজস্ব প্রতিবেদক 











