০১:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজস্ব কর্মকর্তা দর্জি রুবেলের অবৈধ সম্পদের অভিযোগে তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জনগণের সেবা ও রাষ্ট্রীয় রাজস্ব রক্ষার দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও নোয়াখালীতে কর্মরত রাজস্ব কর্মকর্তা দর্জি রুবেল অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলা, ঘুষ বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনায়। সূত্র বলছে ঘোষিত আয়ের তুলনায় তাঁর বিলাসবহুল জীবনযাত্রার কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ, রুবেলের নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে রয়েছে একাধিক দামী বাড়ি, গাড়ি, জমি, ব্যাংক হিসাব ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, যেগুলোর সঙ্গে তাঁর সরকারি বেতনের কোনো মিল পাওয়া যায় না। অফিসে ঘুষ আদায়, ফাইল আটকে সুবিধা নেওয়া এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যবসায়িক সুবিধা পাওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে নিজের দুর্নীতির খবর চাপা দিতে তিনি সাংবাদিকদের প্রলোভন দেন এবং প্রভাব খাটান। অনেক সাংবাদিক এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলতেও ভয় পান। দুদক ও প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা বলছেন নিরপেক্ষ তদন্ত হলে রুবেলের প্রকৃত অবৈধ সম্পদের পরিমাণ বেরিয়ে আসবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রশ্ন “প্রভাবশালীদের জন্য কি আইন আলাদা?” সচেতন নাগরিকদের দাবি, রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের দুর্নীতি রোধে দর্জি রুবেলের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থাই হতে পারে প্রশাসনের ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার একমাত্র পথ।

রাজস্ব কর্মকর্তা দর্জি রুবেলের অবৈধ সম্পদের অভিযোগে তোলপাড়

সময় : ০৫:০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জনগণের সেবা ও রাষ্ট্রীয় রাজস্ব রক্ষার দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও নোয়াখালীতে কর্মরত রাজস্ব কর্মকর্তা দর্জি রুবেল অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলা, ঘুষ বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনায়। সূত্র বলছে ঘোষিত আয়ের তুলনায় তাঁর বিলাসবহুল জীবনযাত্রার কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ, রুবেলের নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে রয়েছে একাধিক দামী বাড়ি, গাড়ি, জমি, ব্যাংক হিসাব ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, যেগুলোর সঙ্গে তাঁর সরকারি বেতনের কোনো মিল পাওয়া যায় না। অফিসে ঘুষ আদায়, ফাইল আটকে সুবিধা নেওয়া এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যবসায়িক সুবিধা পাওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে নিজের দুর্নীতির খবর চাপা দিতে তিনি সাংবাদিকদের প্রলোভন দেন এবং প্রভাব খাটান। অনেক সাংবাদিক এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলতেও ভয় পান। দুদক ও প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা বলছেন নিরপেক্ষ তদন্ত হলে রুবেলের প্রকৃত অবৈধ সম্পদের পরিমাণ বেরিয়ে আসবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রশ্ন “প্রভাবশালীদের জন্য কি আইন আলাদা?” সচেতন নাগরিকদের দাবি, রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের দুর্নীতি রোধে দর্জি রুবেলের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থাই হতে পারে প্রশাসনের ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার একমাত্র পথ।