০২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চন্দনাইশে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আন্দোলন শিক্ষার্থীদের

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মোহাম্মদ তারেক, চট্টগ্রামের চন্দনাইশে কাঞ্চননগর মাস্টার মনছফ আলী জাহানারা বেগম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখর দাসের বিরুদ্ধে নানান অনিয়ম, শিক্ষককে জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত করা, শিক্ষার্থীদের সাথে  খারাপ ব্যবহার এবং অবিভাবক লাঞ্চিতের প্রতিবাদ ও প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবীদেতে রবিবার দিনভর আন্দোলন করেছেন শিক্ষার্থীরা। আর এসবের নিউজ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের বাঁধা দেন প্রধান শিক্ষক ও তার সাঙ্গোপাঙ্গরা।  শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক শেখর দাস বিভিন্ন সময় ক্লাসে শিক্ষার্থীরা পড়া না বুঝলে তাদেরকে গরু-ছাগলের সাথে তুলনা করেন। আর এসবের প্রতিবাদ জানালে শিক্ষার্থীদেরকে বেজন্মা, ডাস্টবিনের মেয়ে সহ বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। এছাড়াও ধর্ম শিক্ষক সহ বেশ কয়েকজন শিক্ষককে জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত করেন প্রধান শিক্ষক।  আর এসব বিষয় নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে স্কুলে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানালে ১৭ আগস্ট রবিবার স্কুল থেকে অবিভাবক মিটিংয়ের আহবান করা হয়। মিটিংয়ে অবিভাকদের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে প্রদান শিক্ষক শেখর দাস দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফা আক্তারের মাকে ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দেয় এমন খবর রটে গেলে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেঁসে উঠে এবং ক্লাস বর্জন করে দিনভর প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবীতে আন্দোলন করেন।  এদিকে আন্দোলনের খবর পেয়ে বিজয় টিভি ও দৈনিক জনবানী চন্দনাইশ প্রতিনিধি সাংবাদিক জাবের বিন রহমান আরজু ও আমিনুল্লাহ টিপু ঘটনাস্থলে নিউজ সংগ্রহ করতে গেলে প্রধান শিক্ষক ও তার সাঙ্গোপাঙ্গরা শিক্ষার্থীদের বক্তব্য নিতে বাঁধা প্রদান করে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা সৃষ্টি করেন। নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহিমা সুলতানা প্রীমা, ওয়াকিয়া সুলতানা এবং মাইসা সিরাজ বলেন, একজন শিক্ষক কিভাবে  শিক্ষার্থীদের গরু-ছাগল এবং ডাস্টবিনের মেয়ে বলে গালাগাল করতে পারে! আর এসবের প্রতিবাদ করায় আমাদের সিনিয়র আপু আলিফা আক্তারের মাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দেয়। এছাড়াও সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ দাবী করেন তারা। এ বিষয়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফা আক্তারের অবিভাবক আলী আকবর শিফু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়ে বাড়িতে এসে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে। তার দাবী প্রধান শিক্ষক তার মেয়ে সহ বিভিন্ন মেয়েকে ডাস্টবিনের মেয়ে, বেজন্মা ইত্যাদি গালমন্দ করেন। এসব বিষয়ে অবিভাবকরা রীতিমতো বিব্রত। তবে অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক শেখর দাশ জানান, শিক্ষককে চাকরিচ্যুত এটা কমিটির সিদ্ধান্ত ছিলো। আর সাংবাদিকদের বাঁধা দেওয়ার বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত বলে জানান।

চন্দনাইশে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আন্দোলন শিক্ষার্থীদের

সময় : ০৭:২০:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মোহাম্মদ তারেক, চট্টগ্রামের চন্দনাইশে কাঞ্চননগর মাস্টার মনছফ আলী জাহানারা বেগম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখর দাসের বিরুদ্ধে নানান অনিয়ম, শিক্ষককে জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত করা, শিক্ষার্থীদের সাথে  খারাপ ব্যবহার এবং অবিভাবক লাঞ্চিতের প্রতিবাদ ও প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবীদেতে রবিবার দিনভর আন্দোলন করেছেন শিক্ষার্থীরা। আর এসবের নিউজ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের বাঁধা দেন প্রধান শিক্ষক ও তার সাঙ্গোপাঙ্গরা।  শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক শেখর দাস বিভিন্ন সময় ক্লাসে শিক্ষার্থীরা পড়া না বুঝলে তাদেরকে গরু-ছাগলের সাথে তুলনা করেন। আর এসবের প্রতিবাদ জানালে শিক্ষার্থীদেরকে বেজন্মা, ডাস্টবিনের মেয়ে সহ বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। এছাড়াও ধর্ম শিক্ষক সহ বেশ কয়েকজন শিক্ষককে জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত করেন প্রধান শিক্ষক।  আর এসব বিষয় নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে স্কুলে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানালে ১৭ আগস্ট রবিবার স্কুল থেকে অবিভাবক মিটিংয়ের আহবান করা হয়। মিটিংয়ে অবিভাকদের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে প্রদান শিক্ষক শেখর দাস দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফা আক্তারের মাকে ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দেয় এমন খবর রটে গেলে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেঁসে উঠে এবং ক্লাস বর্জন করে দিনভর প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবীতে আন্দোলন করেন।  এদিকে আন্দোলনের খবর পেয়ে বিজয় টিভি ও দৈনিক জনবানী চন্দনাইশ প্রতিনিধি সাংবাদিক জাবের বিন রহমান আরজু ও আমিনুল্লাহ টিপু ঘটনাস্থলে নিউজ সংগ্রহ করতে গেলে প্রধান শিক্ষক ও তার সাঙ্গোপাঙ্গরা শিক্ষার্থীদের বক্তব্য নিতে বাঁধা প্রদান করে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা সৃষ্টি করেন। নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহিমা সুলতানা প্রীমা, ওয়াকিয়া সুলতানা এবং মাইসা সিরাজ বলেন, একজন শিক্ষক কিভাবে  শিক্ষার্থীদের গরু-ছাগল এবং ডাস্টবিনের মেয়ে বলে গালাগাল করতে পারে! আর এসবের প্রতিবাদ করায় আমাদের সিনিয়র আপু আলিফা আক্তারের মাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দেয়। এছাড়াও সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ দাবী করেন তারা। এ বিষয়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফা আক্তারের অবিভাবক আলী আকবর শিফু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়ে বাড়িতে এসে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে। তার দাবী প্রধান শিক্ষক তার মেয়ে সহ বিভিন্ন মেয়েকে ডাস্টবিনের মেয়ে, বেজন্মা ইত্যাদি গালমন্দ করেন। এসব বিষয়ে অবিভাবকরা রীতিমতো বিব্রত। তবে অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক শেখর দাশ জানান, শিক্ষককে চাকরিচ্যুত এটা কমিটির সিদ্ধান্ত ছিলো। আর সাংবাদিকদের বাঁধা দেওয়ার বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত বলে জানান।