০৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মীরসরাইয়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী-২৪ মামলার আসামি হকসাব সহ ৪ জন গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার সর্বাধিক ক্রাইম জোন খ্যাত, বারইয়ারহাট পৌরসভা ও জোরারগঞ্জ থানাধীন ৩ নং জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের খীলমুরালী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ২৪ মামলার আসামি হকসাব সহ ৪জনকে অস্ত্র সহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সূত্র জানায়- উক্ত খিলমুরালী গ্রাম এলাকায় বিগত কয়েক বছর যাবত একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীর দল চুরি, ডাকাতি, খুন, রাহাজানি, ধর্ষণ, মাদক বিকিকিনি ও চাঁদাবাজি সহ নানাবিধ: অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসলে ও পুলিশ ছিলো নিরুপায়- নির্বিকার। সূত্র আরো জানায়- উক্ত এলাকাটি পাহাড়ি এলাকা হওয়ার কারণে সন্ত্রাসীরা পাহাড়ের অভ্যন্তরে আস্তানা ঘেটে নানাবিধ অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসার সুযোগ সৃষ্টি করে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালাতে গেলে তৎসময়ের রাজনৈতিক দলীয় রাগব বোয়ালদের হস্তক্ষেপে তা চালাতে পারেনি। কিন্তু, গত বছর ৫ আগষ্ট পটপরিবর্তনের পর ও উক্ত সন্ত্রাসী দল বিভিন্ন অপকর্ম করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন পত্রিকায় শিরোনাম সৃষ্টি করে ওই এলাকার নামে দেশ ছাড়িয়ে সারা বিশ্বে ও ছড়িয়ে দেয়। তথাপি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বরাবরের মতো অলস থাকার কারণে তারা ওই এলাকায় আরো বেপরোয়া কর্মযজ্ঞ চালাতে থাকে। গত এক বছরের ব্যবধানে সেই এলাকায় বিএনপি, যুব ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সাথে বাদানুবাদের পর তাদের পক্ষ থেকে ওই সব সন্ত্রাসীদের এলাকা ত্যাগ করতে আল্টিমেটাম দেয়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা কয়েক দফা বিএনপি, যুব ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের ওপর বিভিন্ন ভাবে হামলা চালায়। এতে কমপক্ষে ২০ এর ও অধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছিলেন বলে বিএনপি’র পক্ষ থেকে অভিযোগ করে জানানো হয়। বিএনপি’র পক্ষ থেকে ওই সব সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার/ এলাকা ছাড়া করার জন্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কে বার বার বলার পর ও কার্যত: কোনো প্রতিকারের মুখ দেখা যায়নি। পরিশেষে ১০ আগষ্ট (রোববার) দুপুরের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পুলিশ তাদের ব্যবহৃত অস্ত্র ও উদ্ধার করে বলে পাওয়া খবরে প্রকাশ। তাদের গ্রেপ্তার করায় এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের বন্যা বইয়ে চলেছে বলে সেখান থেকে পাওয়া সংবাদে জানা গেছে। তবে, একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এলাকার অনেকেই এখনো ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে রয়েছে এ জন্য যে, গ্রেপ্তারকৃত সন্ত্রাসীরা জামিনে বের হয়ে এসে এলাকার যে সব লোকজন তাদের ব্যাপারে মুখ খুলবে তাদের সিমাহীন ক্ষতি করবে! আর সেই জন্য তাদের কর্মযজ্ঞের বিষয়ে তেমন কেউ মুখ খুলতে চাইতেছে না।

মীরসরাইয়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী-২৪ মামলার আসামি হকসাব সহ ৪ জন গ্রেপ্তার

সময় : ০৯:৫২:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার সর্বাধিক ক্রাইম জোন খ্যাত, বারইয়ারহাট পৌরসভা ও জোরারগঞ্জ থানাধীন ৩ নং জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের খীলমুরালী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ২৪ মামলার আসামি হকসাব সহ ৪জনকে অস্ত্র সহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সূত্র জানায়- উক্ত খিলমুরালী গ্রাম এলাকায় বিগত কয়েক বছর যাবত একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীর দল চুরি, ডাকাতি, খুন, রাহাজানি, ধর্ষণ, মাদক বিকিকিনি ও চাঁদাবাজি সহ নানাবিধ: অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসলে ও পুলিশ ছিলো নিরুপায়- নির্বিকার। সূত্র আরো জানায়- উক্ত এলাকাটি পাহাড়ি এলাকা হওয়ার কারণে সন্ত্রাসীরা পাহাড়ের অভ্যন্তরে আস্তানা ঘেটে নানাবিধ অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসার সুযোগ সৃষ্টি করে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালাতে গেলে তৎসময়ের রাজনৈতিক দলীয় রাগব বোয়ালদের হস্তক্ষেপে তা চালাতে পারেনি। কিন্তু, গত বছর ৫ আগষ্ট পটপরিবর্তনের পর ও উক্ত সন্ত্রাসী দল বিভিন্ন অপকর্ম করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন পত্রিকায় শিরোনাম সৃষ্টি করে ওই এলাকার নামে দেশ ছাড়িয়ে সারা বিশ্বে ও ছড়িয়ে দেয়। তথাপি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বরাবরের মতো অলস থাকার কারণে তারা ওই এলাকায় আরো বেপরোয়া কর্মযজ্ঞ চালাতে থাকে। গত এক বছরের ব্যবধানে সেই এলাকায় বিএনপি, যুব ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সাথে বাদানুবাদের পর তাদের পক্ষ থেকে ওই সব সন্ত্রাসীদের এলাকা ত্যাগ করতে আল্টিমেটাম দেয়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা কয়েক দফা বিএনপি, যুব ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের ওপর বিভিন্ন ভাবে হামলা চালায়। এতে কমপক্ষে ২০ এর ও অধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছিলেন বলে বিএনপি’র পক্ষ থেকে অভিযোগ করে জানানো হয়। বিএনপি’র পক্ষ থেকে ওই সব সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার/ এলাকা ছাড়া করার জন্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কে বার বার বলার পর ও কার্যত: কোনো প্রতিকারের মুখ দেখা যায়নি। পরিশেষে ১০ আগষ্ট (রোববার) দুপুরের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পুলিশ তাদের ব্যবহৃত অস্ত্র ও উদ্ধার করে বলে পাওয়া খবরে প্রকাশ। তাদের গ্রেপ্তার করায় এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের বন্যা বইয়ে চলেছে বলে সেখান থেকে পাওয়া সংবাদে জানা গেছে। তবে, একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এলাকার অনেকেই এখনো ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে রয়েছে এ জন্য যে, গ্রেপ্তারকৃত সন্ত্রাসীরা জামিনে বের হয়ে এসে এলাকার যে সব লোকজন তাদের ব্যাপারে মুখ খুলবে তাদের সিমাহীন ক্ষতি করবে! আর সেই জন্য তাদের কর্মযজ্ঞের বিষয়ে তেমন কেউ মুখ খুলতে চাইতেছে না।