নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মোঃ রিয়াজ উদ্দীন, প্রতি হিংসার রোষানলের শিকার হয়ে ভিত্তিহীন মানহানিকর একটি মিথ্যা অভিযোগ এনে ষড়যন্ত্রমূলক একটি মিথ্যা মামলায় আটকের ১মাস ১দিনপর জামিনে মুক্তি পেলেন চট্টগ্রাম সাইলো ঠিকাদার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম। বিগত ২৪ মে শনিবার রাতের সাড়ে ৯টার সময় সাইলো ঠিকাদার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম কে, ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে আওয়ামিলীগের দোষার ইসমাইল ইপিজেড থানার পুলিশকে ফোন করে আমাকে ধরিয়ে দেন। মনিরুল ইসলাম দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে সাইলো ঠিকাদার শ্রমিক ইউনিয়নে সুনামের সাথে শ্রমিকদের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।বিগত ২৫ মে রবিবারে চট্টগ্রাম সাইলো ঠিকাদার শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন বন্ধ করার জন্য ইসমাইল সিন্ডিকেটরা পরিকল্পনা ভাবে রাতের অন্ধকারে মনিরুল ইসলাম কে ধরিয়া দেন ইসমাইল। গতকাল ২৬ জুন বৃহস্পতিবার সকালে সংবাদমাধ্যম কে এসব তথ্য নিশ্চিত করে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম ও সভাপতি ইকবাল হাসান। এবিষয়ে সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি সংবাদমাধ্যম কে বলেন, সাইলো ঠিকাদার শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন বন্ধ করার জন্য প্রতিহিংসা মূলকভাবে ইসমাইল নিজে পুলিশকে খবর দিয়ে আমাকে ধরিয়ে দেন।যাতে করে আমি নির্বাচনে হেরে যাই,এবং নির্বাচনটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইসমাইল সিন্ডিকেটরা। আমাকে মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে এটা প্রতিহিংসা মূলক মিথ্যা মামলা। তিনি আরও বলেন,পতিত স্বৈরাচারী দোষার ইসমাইল আমার কাছে মোটা অংকের টাকা না পেয়ে পুলিশকে দিয়ে ধরিয়ে দেন। আমি দোষী না হয়ে ১মাস ১দিন কারাভোগ করতে হয়েছে। সাংগঠনিক ভাবে ইসমাইলের বিরুদ্ধে যথাযথ ভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রস্তুতি চলছে। সাক্ষী প্রমান সহ সকল দপ্তরে লিখিতভাবে আমরা অভিযোগ দায়ের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।আইনগতভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার আমরা সেই সিদ্ধান্তই নেব। আমরা কখনো চাইনা সংগঠনের আর কোন নেতা মিথ্যা মামলাতে ফেঁসে যাক। ইসমাইল সিন্ডিকেটরা যেভাবে মানুষকে হয়রানি করছে,তাদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে। আমরা আইনের উর্ধে না আইনগতভাবে যে শাস্তি হওয়া দরকার আমরা সেভাবেই এগিয়ে যাচ্ছি। এ বিষয়ে শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি ইকবাল হাসান'র কাছে জানতে চাইলে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন,বিগত ২৪ মে শনিবারে সাইলো ঠিকাদার শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন বন্ধ করার জন্য ইসমাইলের চক্র দ্বারা ৬বারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম কে ষড়যন্ত্র করে রাতের অন্ধকারে পুলিশ কে সঙ্গে নিয়ে ধরিয়ে মনিরুল ইসলাম কে ধরিয়া দেন ইসমাইল। বিগত ২৫ মে রবিবার ইসমাইল সিন্ডিকেটরা নির্বাচন বন্ধ করার জন্য অনেক চেষ্টা চালিয়েছিলেন, পুলিশ প্রশাসন ও সাংবাদিক ভাইদের উপস্থিত থাকার কারণে নির্বাচনটি বন্ধ করতে পারে নাই। মনিরুল ইসলাম জেলখানায় থাকা অবস্থায় ৯৪ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, গতকাল ২৬শে জুন বৃহস্পতিবারে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে মনিরুল ইসলাম কে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। দুই একের মধ্যে শপথ গ্রহণ করে ইসমাইলের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে,বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি ইকবাল হাসান।
সম্পাদকঃ এস এম মাহমুদুর রহমান
দৈনিক কর্ণফুলী সংবাদ