০৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবদুর রহিম রাজপথের অকুতোভয় সৈনিকের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিযাত্রা।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ আজম খাঁন, পটিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি সাহসী, সংগ্রামী এবং আত্মত্যাগী নাম—আবদুর রহিম। তার রাজনীতির শুভ সূচনা ঘটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে, যেখানে তিনি একজন নির্ভীক ছাত্রনেতা হিসেবে অল্প সময়েই পরিচিতি লাভ করেন।

ছাত্র রাজনীতির সূচনা:
১৯৮০ সালে স্বৈরাচার এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে এক তুখোড় ছাত্রনেতা হিসেবে আবির্ভূত হন আবদুর রহিম। পটিয়া হুলাইন ছালে এ-নূর কলেজে তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৮৭/১৯৯৬ সালে তিনি পটিয়া থানা ছাত্রদলের আহ্বায়কের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন, যেখানে তাঁর সংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্ব দেশব্যাপী ছাত্রদলের সংগঠকদের কাছে প্রশংসিত হয়।

দলের প্রতি নিষ্ঠা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব:
২০০৯ সালে পটিয়া উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। তাঁর রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও সাংগঠনিক ভূমিকা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে উজ্জীবন সঞ্চার করে।

আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রভাগের সৈনিক:
দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তিনি ছিলেন স্বৈরাচারী হাসিনার সরকার কর্তৃক দায়ের করা গায়েবী মামলার আসামী। মামলা ও রাজনৈতিক নির্যাতন সত্ত্বেও কখনোই রাজপথ থেকে সরে দাঁড়াননি। বরং কঠিনতম সময়েও আন্দোলনের সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে প্রমাণ করেছেন, সত্যের পথে কোনো বাধা তাকে দমিয়ে রাখতে পারে না।

রাজনীতির মূলমন্ত্র:

আদর্শ ও জনগণের পাশে থাকা আবদুর রহিম বিশ্বাস করেন, রাজনীতি মানে শুধু পদ বা ক্ষমতা নয়—এটা একটি আদর্শ ও জনগণের কল্যাণে নিবেদিত থাকার ব্রত। তাঁর প্রতিটি রাজনৈতিক পদক্ষেপে সেই মানবিকতা ও দেশপ্রেমই প্রতিফলিত হয়েছে। আবদুর রহিম কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি সময়ের সাক্ষ্য বহনকারী। পটিয়ার রাজনীতিতে তাঁর অবদান এবং ত্যাগ আগামী প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তার বিগত সময়ের রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি সময়ের দাবী।

আবদুর রহিম রাজপথের অকুতোভয় সৈনিকের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিযাত্রা।

সময় : ০৮:০২:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধিঃ আজম খাঁন, পটিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি সাহসী, সংগ্রামী এবং আত্মত্যাগী নাম—আবদুর রহিম। তার রাজনীতির শুভ সূচনা ঘটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে, যেখানে তিনি একজন নির্ভীক ছাত্রনেতা হিসেবে অল্প সময়েই পরিচিতি লাভ করেন।

ছাত্র রাজনীতির সূচনা:
১৯৮০ সালে স্বৈরাচার এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে এক তুখোড় ছাত্রনেতা হিসেবে আবির্ভূত হন আবদুর রহিম। পটিয়া হুলাইন ছালে এ-নূর কলেজে তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৮৭/১৯৯৬ সালে তিনি পটিয়া থানা ছাত্রদলের আহ্বায়কের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন, যেখানে তাঁর সংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্ব দেশব্যাপী ছাত্রদলের সংগঠকদের কাছে প্রশংসিত হয়।

দলের প্রতি নিষ্ঠা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব:
২০০৯ সালে পটিয়া উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। তাঁর রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও সাংগঠনিক ভূমিকা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে উজ্জীবন সঞ্চার করে।

আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রভাগের সৈনিক:
দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তিনি ছিলেন স্বৈরাচারী হাসিনার সরকার কর্তৃক দায়ের করা গায়েবী মামলার আসামী। মামলা ও রাজনৈতিক নির্যাতন সত্ত্বেও কখনোই রাজপথ থেকে সরে দাঁড়াননি। বরং কঠিনতম সময়েও আন্দোলনের সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে প্রমাণ করেছেন, সত্যের পথে কোনো বাধা তাকে দমিয়ে রাখতে পারে না।

রাজনীতির মূলমন্ত্র:

আদর্শ ও জনগণের পাশে থাকা আবদুর রহিম বিশ্বাস করেন, রাজনীতি মানে শুধু পদ বা ক্ষমতা নয়—এটা একটি আদর্শ ও জনগণের কল্যাণে নিবেদিত থাকার ব্রত। তাঁর প্রতিটি রাজনৈতিক পদক্ষেপে সেই মানবিকতা ও দেশপ্রেমই প্রতিফলিত হয়েছে। আবদুর রহিম কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি সময়ের সাক্ষ্য বহনকারী। পটিয়ার রাজনীতিতে তাঁর অবদান এবং ত্যাগ আগামী প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তার বিগত সময়ের রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি সময়ের দাবী।