০১:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৫১ বছর পর প্রিয় বিদ্যালয়ে ফিরে স্মৃতিচারণ করলেন কানাডা প্রবাসী জনাব শাহাবুদ্দীন

কাউছার আলমঃ পদুয়া তেওয়ারিখিল: ১৯৭৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সারা দেশে মেধা তালিকায় ৯ম স্থান অধিকার করা তৎকালীন মেধাবী ছাত্র ও বর্তমান কানাডা প্রবাসী, জনাব শাহাবুদ্দীন, দীর্ঘ ৫১ বছর পর হৃদয়ের টানে তার প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে এলেন। পদুয়া তেওয়ারিখিল নিবাসী এই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব তার ছাত্রজীবনের স্মৃতিগুলো নতুন করে ঝালাই করতে বিদ্যালয়ে আগমন করেন। বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় প্রধান শিক্ষক জনাব মোসলেহ উদ্দিনসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং সম্মানের সাথে বরণ করেন। উনার সঙ্গে ছিলেন আরেক বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, জনাব মুহাম্মদ ফারুক। পুরনো স্মৃতির মণিকোঠা থেকে উঠে আসা গল্পগুলো তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অংশ ঘুরে ঘুরে শিক্ষকদের সাথে শেয়ার করেন। বিশেষ করে, মাটির ভবনে বসে ক্লাস করার সেই দিনের স্মৃতিচারণা করেন, যা তাকে অত্যন্ত আবেগাপ্লুত করে তোলে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপচারিতায় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন এবং বিদ্যালয়ের বর্তমান কর্মকাণ্ড দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য সবসময় পাশে থাকার আশ্বাসও দেন। এই স্মৃতিময় সফর বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। জনাব শাহাবুদ্দীনের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, শিক্ষা জীবনের স্মৃতিগুলো কখনো পুরনো হয় না এবং প্রিয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি ভালবাসা চিরকাল হৃদয়ে লালিত থাকে।

৫১ বছর পর প্রিয় বিদ্যালয়ে ফিরে স্মৃতিচারণ করলেন কানাডা প্রবাসী জনাব শাহাবুদ্দীন

সময় : ০৪:৫৭:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫

কাউছার আলমঃ পদুয়া তেওয়ারিখিল: ১৯৭৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সারা দেশে মেধা তালিকায় ৯ম স্থান অধিকার করা তৎকালীন মেধাবী ছাত্র ও বর্তমান কানাডা প্রবাসী, জনাব শাহাবুদ্দীন, দীর্ঘ ৫১ বছর পর হৃদয়ের টানে তার প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে এলেন। পদুয়া তেওয়ারিখিল নিবাসী এই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব তার ছাত্রজীবনের স্মৃতিগুলো নতুন করে ঝালাই করতে বিদ্যালয়ে আগমন করেন। বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় প্রধান শিক্ষক জনাব মোসলেহ উদ্দিনসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং সম্মানের সাথে বরণ করেন। উনার সঙ্গে ছিলেন আরেক বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, জনাব মুহাম্মদ ফারুক। পুরনো স্মৃতির মণিকোঠা থেকে উঠে আসা গল্পগুলো তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অংশ ঘুরে ঘুরে শিক্ষকদের সাথে শেয়ার করেন। বিশেষ করে, মাটির ভবনে বসে ক্লাস করার সেই দিনের স্মৃতিচারণা করেন, যা তাকে অত্যন্ত আবেগাপ্লুত করে তোলে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপচারিতায় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন এবং বিদ্যালয়ের বর্তমান কর্মকাণ্ড দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য সবসময় পাশে থাকার আশ্বাসও দেন। এই স্মৃতিময় সফর বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। জনাব শাহাবুদ্দীনের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, শিক্ষা জীবনের স্মৃতিগুলো কখনো পুরনো হয় না এবং প্রিয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি ভালবাসা চিরকাল হৃদয়ে লালিত থাকে।