বদলে যাচ্ছে বিএনপির মাঠের চিত্র। আর্বিভাব ঘটছে হাইব্রিডদের। আন্দোলনের মাঠে ছিলেন না, মামলা-হামলা কিংবা নির্যাতনের মুখেও ছিলেন না, ঘরছাড়াও হতে হয়নি। বিগত দিনে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন, তাল মিলিয়ে চলেছেন আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে, ছিলেন সুখচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনিই এখন বিএনপির দাপুটে হর্তাকর্তা। বলছি, ইরাক মেম্বারের কথা। বর্তমানে যিনি বিএনপি পরিচয় দিয়ে নিরীহ মানুষদের হয়রানি করছেন। গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে ঢাকা ক্যানভাস নামের একটি অনলাইন পোর্টালে 'হাতিয়ায় অবৈধ ভাবে গাছ কেটে নেওয়া, চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ' শিরোনামে তথ্য প্রমাণহীন মানহানির উদ্দেশ্যে একটি ভিত্তিহীন লেখা পোস্ট করা হয়। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ ধরনের অভিযোগ আমাদের পারিবারিক সুনাম নষ্ট করার অপপ্রয়াস ছাড়া আর কিছুই নয়। ওই পোস্টে গাছ কাটার যে ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, তা দো সীমানার গাছ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের একটি ভুল ব্যাখ্যা। উক্ত গাছ আমাদের সম্পত্তির সীমানার ভেতরেই ছিল, এটি আমাদের গাছ। আমাদের বাড়ির সীমানায় এসে আমি ও আমার পুরো পরিবারের উপর সন্ত্রাসী হামলা পরিচালনা করে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা অপমানজনক এবং সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমাদের পরিবারের কেউ এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়। বরং আমরা নির্যাতনের শিকার এক ভুক্তভোগী পরিবার। নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে উপরোক্ত বিষয় প্রমাণিত হবে।আমরা সংবাদমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানাই, বিষয়টি সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই না করে এমন মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ না করে, বরং তদন্তের ভিত্তিতে সত্য নিরপেক্ষ প্রতিবেদন প্রকাশ করুন। আজ আওয়ামী লীগ নেতা ইরাক ও তার ছেলে ইপু ক্ষমতা ও অর্থের বিনিময়ে ইপু তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে দিয়ে এ ধরনের ভিত্তিহীন পোস্টে আমাদের পরিবার ও সামাজিক অবস্থানে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পরিশেষে, আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানাই, যাতে নিরপরাধ ব্যক্তিদের সম্মানহানি না ঘটে।
সম্পাদকঃ এস এম মাহমুদুর রহমান
দৈনিক কর্ণফুলী সংবাদ