
সরকারি জায়গা দখল করে স্বেচ্ছাসেবক দলের পদ পদবী ব্যবহার করে যুবলীগের নেতাদের সাথে নিয়ে সরকারি খাসের জায়গা দখল করে ঐ জায়গাতেই সিটি কর্পোরেশনের কাজের অফিস সহ দখল করে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেন সাইফুর/জবর।
সাইফুল সাবেক আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর অনুসারী যুবলীগের নেতা রজব কে নিয়ে সরকারি টিকাদারি কাজ থেকে চাঁদা চেয়ে অফিসে তালা মেরে চাবি ঝুলিয়ে দিতে বলেন, যদি কেউ ওই এলাকায় জায়গা ক্রয়/বিক্রয় করতে যায় তাহলে সাইফুর ও রজবকে চাঁদা দিয়ে ক্রয়/বিক্রয় করিতে পারিবে, না হলে কোন প্রকার জায়গা ক্রয়-বিক্রয় করিতে পারবেনা বলে হুমকি ধমকি প্রদান করেন, অন্য দিকে এক ভুক্তভোগী তার নিজস্ব জায়গা ভরাট করতে গেলে তাকে বালি বাবদ বকেয়া টাকা পাবে বলে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এবং এক প্রবাসীর মা আক্তার বেগমকে তার ছেলের ক্রয়কৃত জায়গা জোরজবস্তি লিখে দিতে বলেন, চাঁদগাও এর এক যুবদলের দলের নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি করেন এবং যুবদলের দুই নেতার কন্টাকটারির কন্টাকটর নূর হোসেন ইকবাল ও বেলালকে প্রকাশ্যে ফোন দিয়ে স্পটে গিয়ে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রায় লক্ষাধিক টাকার ফাইভ ভেঙে ফেলেন।
আওয়ামী লীগের ৬ নং পূর্ব ষোলশহর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাইফুল ইসলামের চাঁদাবাজির অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ট ৫ই আগস্টের পর লাখো ছাত্র জনতার আন্দোলনে স্বাধীনতার পর এখনো কি দোষরের নেতৃত্বে চলবে। এলাকার এলাকার সাধারণ জনগণের ক্ষোভ প্রকাশ করেন
নিজস্ব প্রতিবেদক 











