০৪:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কবি, প্রাবন্ধিক, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, ধর্মাতত্ত্ববিদ ও মুক্তিযোদ্ধা অন্জন কুমার দাশ গত ২৬ শে অক্টোবর সকাল ১১.৩৫ মিনিটে ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে পরলোক গমন করেন

কবি, প্রাবন্ধিক, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, ধর্মাতত্ত্ববিদ ও মুক্তিযোদ্ধা অন্জন কুমার দাশ গত ২৬ শে অক্টোবর সকাল ১১.৩৫ মিনিটে ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে পরলোক গমন করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। চট্রগ্রামের পটিয়া থানার রতনপুর ইউনিয়নের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তার জন্ম এবং তিনি ছিলেন বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক বিপ্লবী বিনোদবিহারী চৌধুরীর সহযোদ্ধা প্রয়াত সীতানাথ দাশের জৈষ্ঠপুত্র। তিনি পুরো জীবন চট্টগ্রামের বিভিন্ন উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন এবং পটিয়া থানার রতনপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে ২০০৩ সালে অবসর গ্রহন করেন। এছাড়াও তিনি চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলার শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও পটিয়ার ১১ নং কেলিশহর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মনি সিংহয়ের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন জায়গায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন এবং তার ছোট দুইভাইও পটিয়া থানার অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। অবসরজীবনে তিনি আধ্যাত্মীক ধর্মচর্চা ও প্রচুর লেখালেখি করতেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্হসমূহের মধ্যে অন্যতম গ্রন্হসমূহ হলো অমৃত অনুভবে, মন চলো নিজ নিকেতনে ও জীবনের পংক্তিমালা অন্যতম, এছাড়াও তাঁর বেশ কয়েকটি লিখিত গ্রন্হ অপ্রকাশিত রয়ে যায়। তাঁর পিতার মতো তিনিও শিক্ষকতার মহান পেশায় নিয়োজিত হন এবং পুরোপরিবারের অধিকাংশ সদস্য শিক্ষকতাকে পেশা হিসাবে গ্রহন করেন। মৃত্যুকালে তিনি দুইমেয়ে ও এক ছেলে রেখে যান।

কবি, প্রাবন্ধিক, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, ধর্মাতত্ত্ববিদ ও মুক্তিযোদ্ধা অন্জন কুমার দাশ গত ২৬ শে অক্টোবর সকাল ১১.৩৫ মিনিটে ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে পরলোক গমন করেন

সময় : ০৩:০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪

কবি, প্রাবন্ধিক, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, ধর্মাতত্ত্ববিদ ও মুক্তিযোদ্ধা অন্জন কুমার দাশ গত ২৬ শে অক্টোবর সকাল ১১.৩৫ মিনিটে ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে পরলোক গমন করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। চট্রগ্রামের পটিয়া থানার রতনপুর ইউনিয়নের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তার জন্ম এবং তিনি ছিলেন বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক বিপ্লবী বিনোদবিহারী চৌধুরীর সহযোদ্ধা প্রয়াত সীতানাথ দাশের জৈষ্ঠপুত্র। তিনি পুরো জীবন চট্টগ্রামের বিভিন্ন উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন এবং পটিয়া থানার রতনপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে ২০০৩ সালে অবসর গ্রহন করেন। এছাড়াও তিনি চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলার শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও পটিয়ার ১১ নং কেলিশহর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মনি সিংহয়ের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন জায়গায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন এবং তার ছোট দুইভাইও পটিয়া থানার অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। অবসরজীবনে তিনি আধ্যাত্মীক ধর্মচর্চা ও প্রচুর লেখালেখি করতেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্হসমূহের মধ্যে অন্যতম গ্রন্হসমূহ হলো অমৃত অনুভবে, মন চলো নিজ নিকেতনে ও জীবনের পংক্তিমালা অন্যতম, এছাড়াও তাঁর বেশ কয়েকটি লিখিত গ্রন্হ অপ্রকাশিত রয়ে যায়। তাঁর পিতার মতো তিনিও শিক্ষকতার মহান পেশায় নিয়োজিত হন এবং পুরোপরিবারের অধিকাংশ সদস্য শিক্ষকতাকে পেশা হিসাবে গ্রহন করেন। মৃত্যুকালে তিনি দুইমেয়ে ও এক ছেলে রেখে যান।